ফুটবল দুনিয়ার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ‘ব্যালন ডি’অর ২০২৬’-এর দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে বাড়ছে তর্ক-বিতর্ক। একদিকে বায়ার্ন মিউনিখ ও ইংল্যান্ডের জার্সিতে অবিশ্বাস্য ৭৩ গোল করে রেকর্ড গড়েছেন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। অন্যদিকে, বার্সেলোনার হয়ে লা লিগা ও স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ ট্রফি জিতে পুরো ফুটবল দুনিয়াকে মোহিত করেছেন ১৯ বছর বয়সী বিস্ময় উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল। এই ঐতিহাসিক দ্বৈরথে নিজের সুনির্দিষ্ট মতামত জানিয়েছেন বার্সেলোনা এবং ইংল্যান্ড উভয় দলেই খেলা উইঙ্গার অ্যান্থনি গর্ডন। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া গণমাধ্যম ইয়াহু স্পোর্টস (Yahoo Sports)-এর এক প্রতিবেদনে এই তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
অনন্য অবস্থানে অ্যান্থনি গর্ডন
গত গ্রীষ্মে ৭০ মিলিয়ন পাউন্ড ট্রান্সফার ফিতে নিউক্যাসল থেকে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার পর থেকেই স্পেনে দারুণ ফর্মে আছেন ২৫ বছর বয়সী গর্ডন। সেখানে তিনি প্রতিদিন কাছ থেকে দেখছেন লামিনে ইয়ামালের অবিশ্বাস্য ড্রিবলিং ও স্কিল। আবার জাতীয় দলের ক্যাম্পে তিনি খেলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইনের সঙ্গে। ইংল্যান্ড ও স্পেনের আসন্ন নেশনস লিগ হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের আগে এই দুই সতীর্থের ব্যালন ডি’অর সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন তিনি।
রিয়াল মাদ্রিদের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে লড়াইয়ে থাকলেও গর্ডন মনে করেন মূল লড়াইটা কেবলই কেইন আর ইয়ামালের মধ্যে।
Read More: এক সোনালী অধ্যায়ের সমাপ্তি: আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে লিওনেল মেসির বিদায়ের ঘোষণা
“ইয়ামাল এখন অন্য উচ্চতার ফুটবলার”
বার্সেলোনা সতীর্থ ইয়ামালের প্রশংসায় পঞ্চমুখ গর্ডন বলেন:
“আমার মতে, সাফল্যের বিচারে এবারের ব্যালন ডি’অর অবশ্যই এদের দুজনের একজনের পাওয়া উচিত। এত অল্প বয়সে লামিনে যা অর্জন করেছে, তা অবিশ্বাস্য। সে যে ধরনের ফুটবল খেলে, সেটা অবিশ্বাস্য সুন্দর। সে এখন পুরোপুরি অন্য এক উচ্চতায় অবস্থান করছে। মাত্র ১৯ বছর বয়সে সে যেভাবে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করে, তা সত্যিই অসাধারণ। এই মুহূর্তে সে-ই বিশ্বের সেরা উইঙ্গার।”
কেইনের গোলের পাহাড় বনাম ইয়ামালের ট্রফি
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল কিছুটা কটাক্ষ করে মন্তব্য করেছিলেন যে, ‘ব্যালন ডি’অর ৮০ গোল করা খেলোয়াড়কে নয়, বিশ্বের সেরা পারফর্মারকে দেওয়া উচিত।’ সে কথার জবাবে অবশ্য কোনো বিতর্কে না জড়িয়ে ইয়ামালকে দারুণ খেলোয়াড় বলে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন কেইন।
গর্ডন মনে করেন, হ্যারি কেইনের গোলের পরিসংখ্যানও কোনো অংশে কম নয়। গত মৌসুমে সব মিলিয়ে ৭৩টি গোল করা কেইনের ব্যালন ডি’অর জয়ের দাবির পক্ষে জোরালো যুক্তি তৈরি করেছে। ব্যক্তিগত সংখ্যার দিক দিয়ে কেইন সবার চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে, তবে বিশ্বকাপ ও বড় ট্রফির ওজন ইয়ামালকে এনে দিয়েছে বাড়তি সুবিধা।
শেষ কথা
লন্ডনে আগামী মাসের জমকালো অনুষ্ঠানে কার হাতে উঠবে সোনালী গোলক—কেইনের নিখুঁত ফিনিশিং ও অবিশ্বাস্য গোলের রেকর্ড নাকি ইয়ামালের ট্রফিময় জাদুকরী ফুটবল? অ্যান্থনি গর্ডনের মতে, ফলাফল যাই হোক, আধুনিক ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণ এখন এই দুই ভিন্নধর্মী মহাতারকার হাতেই।
Join our community today and stay connected with the future of PET recycling.
👉 Visit our YouTube channel: Khoowab on YouTube
👉 Visit our Facebook Page: A2 News 24 on Facebook
Subscribe to see our latest factory tours, production updates, and export success stories.

