ওগাঁর সাপাহার উপজেলায় একটি মসজিদে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব থেকে রাজনৈতিক চাপ-সম্পর্কিত বিতর্কের মধ্যে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
🧑🕌 চাকরি হারানোর পেছনে দায় কোন প্রেক্ষাপট?
উপজেলার তালপুকুর মাস্টারপাড়া জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন আল আমিন চৌধুরী অভিযোগ করেছেন যে, তিনি দীর্ঘ চার বছর ধরে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করছিলেন। সম্প্রতি স্থানীয় নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি সমর্থনের আগ্রহ প্রকাশ করার পর থেকে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক ওঠে।
তার দাবি, তার রাজনৈতিক মতাদর্শ ও বিপক্ষের সমর্থনে ফেসবুক পোস্ট করার কারণে স্থানীয় কিছু নেতাকর্মী কমিটির ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে যাতে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, “আমি দীর্ঘ সময় সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি, কিন্তু রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার কারণে আমাকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।”
🪪 মসজিদ কমিটির বক্তব্য
মসজিদ কমিটির সভাপতি এলাহী বক্স এই ঘটনাকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তার ভাষ্য, আল আমিনের রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব স্থানীয় মানুষ ও কমিটির অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। একই সাথে মসজিদের সামনে একটি দোকান বসানোর বিষয়টিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। দোকানদারকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্তের পরও দোকান না সরানোর কারণে কমিটিকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। তিনি বলেন, মুয়াজ্জিন ওই দোকানদারের পক্ষে অবস্থান নেয়ার কারণে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
📣 রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিক্রিয়া
ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার broad প্রেক্ষাপটে সাপাহার উপজেলা জামায়াত একটি পৃথক বিবৃতি প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, আবিদ করা বক্তব্য ভুল এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, এবং এই ঘটনায় জামায়াতের কোনো সরাসরি অংশগ্রহণ নেই।
📍 সমাজ ও রাজনীতিতে প্রভাব
এ ধরনের ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক সংগঠন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক নিয়ে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। বিশেষ করে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রভাব কতটা উচিত, সে বিষয়ে সিরিয়াস আলোচনা শুরু হয়েছে।
