স্পোর্টস ডেস্ক, এটুনিউজ২৪ (A2News24): ইউরোপীয় ফুটবলের শীতকালীন দলবদলের শেষ দিনটি ছিল নাটকীয়তায় ভরপুর। ঘড়ির কাঁটা যত ১২টার দিকে এগিয়েছে, ততই বেড়েছে ক্লাবগুলোর দৌড়ঝাঁপ। বড় বড় ক্লাবগুলো তাদের শক্তি বাড়াতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়েছে। ২০২৬ সালের এই ট্রান্সফার ডেডলাইন ডে-তে সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে লিভারপুল এবং আর্সেনাল। বিশেষ করে লিভারপুলের ৬০ মিলিয়ন ইউরোর বিশাল চুক্তিটি এখন ফুটবল বিশ্বের প্রধান আলোচনার বিষয়।
লিভারপুলে জেরেমি জ্যাকেট: ভবিষ্যতের রক্ষণভাগ রক্ষনভাগ মজবুত করতে অলরেডরা এবার হাত বাড়িয়েছে উদীয়মান তারকা জেরেমি জ্যাকেটের দিকে। ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডের (প্রায় ৬০ মিলিয়ন ইউরো সমমূল্যের) বিনিময়ে তাকে দলে ভেড়ানোর চুক্তি চূড়ান্ত করেছে লিভারপুল। যদিও তিনি আগামী ১ জুলাই ক্লাবটিতে যোগ দেবেন, তবে ইউরোপের বড় বড় ক্লাবগুলোর আগ্রহের ভিড় থেকে তাকে ছিনিয়ে আনা লিভারপুলের জন্য একটি বড় জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্পোর্টিং ডিরেক্টর রিচার্ড হিউজ এই চুক্তিতে মূল ভূমিকা পালন করেছেন।
আরো পডুনঃ ২০২৬ বিশ্বকাপে কি খেলবেন মেসি? মাশ্চেরানোর ‘তিন শব্দের’ জবাবে নতুন আশা ফুটবল বিশ্বে
আর্সেনালের নজর তরুণ প্রতিভায় অন্যদিকে, আর্সেনাল তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা মাথায় রেখে সই করিয়েছে ১৮ বছর বয়সী স্ট্রাইকার এভান মুনিকে। সেন্ট মিরেন থেকে আসা এই তরুণ প্রতিভাকে আপাতত অনূর্ধ্ব-২১ দলে খেলানো হবে। এছাড়াও সান্দ্রো টোনালির মতো বড় নামকে নিয়ে গুঞ্জন ছড়ালেও, শেষ পর্যন্ত নিউক্যাসেল ইউনাইটেড তাদের এই মধ্যমাঠের তারকাকে ছাড়তে রাজি হয়নি।
রেনজার্স ও সেল্টিকের লড়াই স্কটিশ ফুটবলেও ছিল দলবদলের উত্তাপ। রেনজার্স ৪.৭ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে জার্মান ক্লাব হানসা রোস্টক থেকে স্ট্রাইকার রায়ান নাদেরিকে দলে ভিড়িয়েছে। অন্যদিকে, সেল্টিকও পিছিয়ে নেই। তারা ব্রেন্টফোর্ড থেকে বেনজামিন আর্থারকে লোনে নিয়ে এসেছে এবং জোয়েল এমভুকার চুক্তি নিয়েও সফল আলোচনা সেরেছে।
বাংলাদেশি সমর্থকদের জন্য প্রভাব বাংলাদেশের ফুটবল প্রেমীদের বড় একটি অংশ লিভারপুল এবং আর্সেনাল সমর্থক। প্রিয় ক্লাবের নতুন সাইনিং নিয়ে ফুটবল গ্রুপগুলোতে এখন ব্যাপক উত্তেজনা। বিশেষ করে লিভারপুলের নতুন ডিফেন্ডার জ্যাকেটকে নিয়ে ভক্তদের প্রত্যাশা অনেক। প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াইয়ে এই নতুন সংযোজনগুলো কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
উপসংহার: সামনে কী অপেক্ষা করছে? দলবদলের বাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এখন সব নজর মাঠের লড়াইয়ে। নতুন খেলোয়াড়রা কি দ্রুত দলের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারবেন? নাকি মিড-সিজন ট্রান্সফার হিসেবে তারা ব্যর্থ হবেন? আগামী কয়েক সপ্তাহের ম্যাচগুলোই বলে দেবে কোন ক্লাবের অর্থ খরচ সার্থক হয়েছে।




